ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১ বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিল্ডিং কোড আইন অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ নবীনগরে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও মহড়া অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত তারাবী নামাজের টাকা নিয়ে সংর্ঘষ, আহত ১৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আ.লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেল ঈদ-পোশাক সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট, এসিল্যান্ডকে অব্যাহতি বন্দিদের ইফতারে ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারা কর্তৃপক্ষ

ভাওয়াল দীঘির অবৈধ দখল উচ্ছেদে পৌর কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মধ্যপাড়াস্থ মহেশ্বরীদীঘি (দীঘির পাড় পুকুর) পরিদর্শন করেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আঃ কুদদূস। গত বুধবার বিকাল ৫টায় পৌর কর্তৃপক্ষের একটি দল দীঘির সীমানা নির্ধারণ করে সীমানা পিলার স্থাপন, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার, চারপাশে পায়ে হাঁটার রাস্তা, বসার ব্যাঞ্চ, বৃক্ষরোপণসহ পুকুরটি পাড়বাসিন্দা ব্যবহারের জন্য পরিবেশ করার লক্ষ্যে উপস্থিত হন। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী বলেন আমরা প্রথমে মৌখিকভাবে পৌরসভার মেয়র মহোদয়ের অনুমতিতে তিন শতাংশ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করি পরে আরো একশতাংশ জায়গায় দাবি করলে তখন পৌর মেয়র মহোদয় মৌখিক অনুমতি দেন আমরা মোট চার শতাংশ জমির উপর মসজিদ নির্মাণ করি। পৌরসভার সার্ভেয়ার মাহবুব হোসেন তাৎক্ষণিক জায়গা মাপামাপি করে মসজিদের দখলে মোট বারো শতাংশ জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত করেন। নদী ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক সংগঠন নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, একসময় এ শহরকে পুকুরের শহর বলা হতো। কালের বিবর্তনে পুকুরগুলো গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা। ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুরগুলোর পাশাপাশি সরকারি পুকুরগুলোও অস্তিত্ব হারাচ্ছে, পৌরসভার বারোটি ওয়ার্ডে মোট কয়টি পুকুর আছে তার হিসাব কোনো দপ্তরের কাছেই নেই। নোঙর অন্তত পৌর এলাকার পুকুরগুলো চিহ্নিত করে একটি গেজেট প্রকাশ করার দাবি করছে। কতিপয় সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পুকুর ভরাটের বিষয়টি একদম পরিষ্কার। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে দাবি করছে নোঙর। পাশাপাশি মহেশ্বরীদীঘি উদ্ধার ও রক্ষণাবক্ষণে এগিয়ে আসায় পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শাহানা বেগম বলেন, এই পুকুরটা যেভাবে দখল হয়ে আছে তা যেন উদ্ধার করে পুকুরে পাড়ে রাস্তা তৈরি করার পাশাপাশি বসার ব্যবস্থা করে দেই। এই বিষয়টা নিয়ে আমি পৌরসভার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা অচিরেই এই সমস্যা সমাধান করবে বলে জানিয়েছেন। পাড়বাসী পুকুরটি ব্যবহারের জন্য পুকুরের চারপাড়ে চারটি সিঁড়ি ঘাট নির্মাণের দাবি করলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আঃ কুদদূস বলেন, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও রক্ষার্থে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দীঘির সৌন্দর্য্যবর্ধ্বন ও ব্যবহার উপযোগী করতে যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নেও কাজ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী কাউছার আহমেদ, প্রকৌশলী সুমন দত্ত, নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নী, শিপন কর্মকার প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভাওয়াল দীঘির অবৈধ দখল উচ্ছেদে পৌর কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন

আপডেট সময় : ০২:২৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মধ্যপাড়াস্থ মহেশ্বরীদীঘি (দীঘির পাড় পুকুর) পরিদর্শন করেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আঃ কুদদূস। গত বুধবার বিকাল ৫টায় পৌর কর্তৃপক্ষের একটি দল দীঘির সীমানা নির্ধারণ করে সীমানা পিলার স্থাপন, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার, চারপাশে পায়ে হাঁটার রাস্তা, বসার ব্যাঞ্চ, বৃক্ষরোপণসহ পুকুরটি পাড়বাসিন্দা ব্যবহারের জন্য পরিবেশ করার লক্ষ্যে উপস্থিত হন। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী বলেন আমরা প্রথমে মৌখিকভাবে পৌরসভার মেয়র মহোদয়ের অনুমতিতে তিন শতাংশ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করি পরে আরো একশতাংশ জায়গায় দাবি করলে তখন পৌর মেয়র মহোদয় মৌখিক অনুমতি দেন আমরা মোট চার শতাংশ জমির উপর মসজিদ নির্মাণ করি। পৌরসভার সার্ভেয়ার মাহবুব হোসেন তাৎক্ষণিক জায়গা মাপামাপি করে মসজিদের দখলে মোট বারো শতাংশ জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত করেন। নদী ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক সংগঠন নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, একসময় এ শহরকে পুকুরের শহর বলা হতো। কালের বিবর্তনে পুকুরগুলো গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা। ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুরগুলোর পাশাপাশি সরকারি পুকুরগুলোও অস্তিত্ব হারাচ্ছে, পৌরসভার বারোটি ওয়ার্ডে মোট কয়টি পুকুর আছে তার হিসাব কোনো দপ্তরের কাছেই নেই। নোঙর অন্তত পৌর এলাকার পুকুরগুলো চিহ্নিত করে একটি গেজেট প্রকাশ করার দাবি করছে। কতিপয় সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পুকুর ভরাটের বিষয়টি একদম পরিষ্কার। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে দাবি করছে নোঙর। পাশাপাশি মহেশ্বরীদীঘি উদ্ধার ও রক্ষণাবক্ষণে এগিয়ে আসায় পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শাহানা বেগম বলেন, এই পুকুরটা যেভাবে দখল হয়ে আছে তা যেন উদ্ধার করে পুকুরে পাড়ে রাস্তা তৈরি করার পাশাপাশি বসার ব্যবস্থা করে দেই। এই বিষয়টা নিয়ে আমি পৌরসভার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা অচিরেই এই সমস্যা সমাধান করবে বলে জানিয়েছেন। পাড়বাসী পুকুরটি ব্যবহারের জন্য পুকুরের চারপাড়ে চারটি সিঁড়ি ঘাট নির্মাণের দাবি করলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আঃ কুদদূস বলেন, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও রক্ষার্থে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দীঘির সৌন্দর্য্যবর্ধ্বন ও ব্যবহার উপযোগী করতে যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নেও কাজ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী কাউছার আহমেদ, প্রকৌশলী সুমন দত্ত, নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নী, শিপন কর্মকার প্রমূখ।