বুধবার , ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। দুই শতাধিক রোগী ভর্তি।।

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। দুই শতাধিক রোগী ভর্তি।।

ডিঃব্রাঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকার হঠাৎ করেই বেড়েছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা। গত ২ দিনে জেলা সদর হাসপাতালে দুই শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। এতে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ থাকতে বিশুদ্ধ পানি পানের পাশাপাশি বাসি খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্ষন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ৩০০ শিশু ও বয়স্ক ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে বয়স্কর চেয়ে শিশু চারগুণ। সদর হাসপাতালের বেড কিংবা মেঝোতে যেন ঠাঁই নেই। মেডিসিন ও অর্থোপিডিক্স ওয়ার্ডের প্রধান প্রকটটিও ডায়রিয়া রোগীর দখলে। নারী, শিশু ও বয়স্ক রোগীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেবা নিচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক রোগী। প্রতিনিয়ত হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক-নারী রোগীরা। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যে কারণে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। স্বজনদের অভিযোগ বাড়তি রোগীর কারণে ঠিকমত সেবা দিতে পারছেন না চিকিৎসক ও নার্সরা। প্রতি বছরেই শীত শুরুতে নানান কারণে এ সমস্যা দেখা দেয় বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

ডায়রিয়ার আক্রান্ত সাইমের মা জরিনা আখতার জানান, গতকাল সন্ধ্যার দিকে ডায়রিনা নিয়ে সদরে ভর্তি হয়। সকালে তিনবার পাতলা পায়খানা হয়। মনে করেছি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সুস্থ না হওয়ার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ফাইজুর রহমান ফয়েজ জানান, পানিবাহিত কারণে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা এখন পর্যন্ত সুস্থ আছেন তাদের বিশুদ্ধ পানি পানের পাশাপাশি এড়িতে চলতে হবে বাসি খাবার।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ওয়াহিদুজ্জামান, হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়লেও তাদের সেবা দিতে আছে পর্যাপ্ত ঔষধ ও স্যালাইন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবো বলে আশা করছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে গত ২০ নভেম্বর সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩শ শিশু ও বয়স্ক রোগী। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১০ জন ডায়রিয়া রোগী।

মোঃ রাশেদঃ

ডিঃব্রাঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *