Dhaka 1:16 pm, Tuesday, 28 May 2024
News Title :
কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা; প্রবাসে এক কক্ষে ১৩ দিন অনাহারে বন্দি ১২ যুবক নির্মাণের ৫ বছর পর আজ উদ্বোধন হচ্ছে সরাইল মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নাসিরনগরে দুর্নীতি বিরোধী রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সরাইলে অজ্ঞাতনামা বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস উদ্‌যাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরাইলে সরকারী স্কুলে দূর্ধর্ষ চুরি নৈশ প্রহরীর বিরূদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সরাইলে নদীর দখল ছাড়বেন না আ’লীগ নেতা উচ্ছেদ ঠেকাতে সক্রিয় দালাল চক্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্নীতি বিরোধী রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে দুর্নীতি বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেন পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:48:15 pm, Monday, 28 March 2022
  • 153 Time View

ভয়াল ২৮ মার্চ ২০২১, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সভাপতি এস. এম. আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন দত্ত। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম কাওসার, পৌর সচিব মোঃ শামুসুদ্দিন প্রমূখ। এ সময় বক্তারা বলেন, গত বছরের ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাকে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করা হয়েছে তা দুঃখজনক। দীর্ঘ ১ বছরেও জনকল্যানমূলক এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাাঁড়াতে পারেনি। এতে করে পুরোপুরি সেবা দিতে না পারায় নাগরিকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও বক্তারা, এই হামলার সাথে যারা জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবী জানান। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, জেলা পরিষদ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, ভূমি অফিস, প্রেসক্লাব ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, বঙ্গবন্ধু ম্যুাড়ালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়। তিন দিনের তান্ডব চলাকালে নিহত হয় ১৫ জন এবং আহত হন শতাধিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা; প্রবাসে এক কক্ষে ১৩ দিন অনাহারে বন্দি ১২ যুবক

fapjunk
© All rights reserved ©
Theme Developed BY XYZ IT SOLUTION

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেন পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন

Update Time : 07:48:15 pm, Monday, 28 March 2022

ভয়াল ২৮ মার্চ ২০২১, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সভাপতি এস. এম. আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন দত্ত। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম কাওসার, পৌর সচিব মোঃ শামুসুদ্দিন প্রমূখ। এ সময় বক্তারা বলেন, গত বছরের ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাকে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করা হয়েছে তা দুঃখজনক। দীর্ঘ ১ বছরেও জনকল্যানমূলক এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাাঁড়াতে পারেনি। এতে করে পুরোপুরি সেবা দিতে না পারায় নাগরিকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও বক্তারা, এই হামলার সাথে যারা জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবী জানান। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, জেলা পরিষদ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, ভূমি অফিস, প্রেসক্লাব ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, বঙ্গবন্ধু ম্যুাড়ালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়। তিন দিনের তান্ডব চলাকালে নিহত হয় ১৫ জন এবং আহত হন শতাধিক।