ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস ২০২৫ পালিত গান গাওয়া বন্ধ করে দেওয়া সেই অন্ধ হেলালের পরিবারের পাশে ‘ভাব বৈঠকী’ মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা এআরডি- ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র উদ্যোগে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ইউনিভার্সেল মেডিকেলের উদ্যোগে Top Ten Genius সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত কনিকাড়া ‌উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য আহসানুজ্জামান গেন্দু চৌধুরীর ‌ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ৫ দফা দাবি আদায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ খালেদা জিয়ার অসুস্থতার মধ্যেই নবীনগরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গান-বাজনা, সমালোচনার ঝড় জুডিশিয়াল সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন ও ইউনিভার্সেল মেডিকেলের স্বাস্থ্যচুক্তি

প্রেম করে বিয়ের ৬ মাস পরই লাশ হলো গৃহবধু ঝরণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রথমে ছুটিয়ে প্রেম। ঝরণা আক্তার (১৯) ও হৃদয় মিয়া (২৫) একে অপরকে কাছে পেতে ব্যাকুল। পিতার ইচ্ছার বিরূদ্ধেই ঝরণাকে বিয়ে করে হৃদয়। আর বিয়ের ৬ মাস পরই আজ শনিবার সকালে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামের বাবার বাড়ি থেকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু ঝরণার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ, নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, পূর্ব গলানিয়া গ্রামের আছন আলীর মেয়ে ঝরণা। একই গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে হৃদয়। একে অপরকে ভালবেসে বিয়ে করে ৬ মাস আগে। তাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না হৃদয়ের পিতা জামির হোসেনের। তাই মেনে নেননি তিনি। বিয়ের পর থেকে ঝরণা স্বামীকে বাবার বাড়িতেই থাকত। স্বামী হৃদয় ছিল কর্মহীন। খুবই কষ্টে চলছিল তাদের সংসার। গত ১৫/১৬ দিন আগে ঝরণা পাশের বাড়ির রোজিনা নামের এক মহিলা থেকে ৫ শত ধার করেন। স্বামীকে ৫ শত টাকা দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরৎ দেয়ার কথা বলেন। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হৃদয় ওই টাকা ফেরৎ দিচ্ছেন না। ওদিকে রোজিনা পাওনা টাকার জন্য ঝরণাকে চাপ দিচ্ছেন। টাকার বিষয় নিয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ঝরণা ও হৃদয়ের মধ্যে মনোমালণ্য হয়। আজ ভোরে ঘুম ভেঙ্গে হৃদয় দেখতে পান তার স্ত্রী ঝরণা ওড়না পেছিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে। দেখে মনে হচ্ছিল টিনশেড ঘরের মেঝেতে দাঁড়িয়ে আছে। আসলে ফাঁসিতে ঝুলছিল। হৃদয় বিষয়টি শ্বশুর বাড়ির সবাইকে জানান। পরে পুলিশ গৃহবধু ঝরণার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শিহাবুর রহমান জানান, প্রাথমিক ভাবে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রেম করে বিয়ের ৬ মাস পরই লাশ হলো গৃহবধু ঝরণা

আপডেট সময় : ০৮:২৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২

প্রথমে ছুটিয়ে প্রেম। ঝরণা আক্তার (১৯) ও হৃদয় মিয়া (২৫) একে অপরকে কাছে পেতে ব্যাকুল। পিতার ইচ্ছার বিরূদ্ধেই ঝরণাকে বিয়ে করে হৃদয়। আর বিয়ের ৬ মাস পরই আজ শনিবার সকালে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামের বাবার বাড়ি থেকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু ঝরণার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ, নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, পূর্ব গলানিয়া গ্রামের আছন আলীর মেয়ে ঝরণা। একই গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে হৃদয়। একে অপরকে ভালবেসে বিয়ে করে ৬ মাস আগে। তাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না হৃদয়ের পিতা জামির হোসেনের। তাই মেনে নেননি তিনি। বিয়ের পর থেকে ঝরণা স্বামীকে বাবার বাড়িতেই থাকত। স্বামী হৃদয় ছিল কর্মহীন। খুবই কষ্টে চলছিল তাদের সংসার। গত ১৫/১৬ দিন আগে ঝরণা পাশের বাড়ির রোজিনা নামের এক মহিলা থেকে ৫ শত ধার করেন। স্বামীকে ৫ শত টাকা দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরৎ দেয়ার কথা বলেন। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হৃদয় ওই টাকা ফেরৎ দিচ্ছেন না। ওদিকে রোজিনা পাওনা টাকার জন্য ঝরণাকে চাপ দিচ্ছেন। টাকার বিষয় নিয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ঝরণা ও হৃদয়ের মধ্যে মনোমালণ্য হয়। আজ ভোরে ঘুম ভেঙ্গে হৃদয় দেখতে পান তার স্ত্রী ঝরণা ওড়না পেছিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে। দেখে মনে হচ্ছিল টিনশেড ঘরের মেঝেতে দাঁড়িয়ে আছে। আসলে ফাঁসিতে ঝুলছিল। হৃদয় বিষয়টি শ্বশুর বাড়ির সবাইকে জানান। পরে পুলিশ গৃহবধু ঝরণার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শিহাবুর রহমান জানান, প্রাথমিক ভাবে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।

মাহবুব খান বাবুল