ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কবি জয়দুল হোসেনের ‘পাখপাখালির মিলনমেলা’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব চুরির দায়ে সুলতানপুরের বোরহান উদ্দিন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সরাইলে সাংবাদিক মাসুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা: দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। তিতাস নদী ও বিলে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান: নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দাতা ওয়ারিশদের পাশ কাটিয়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণ কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি গঠনে প্রতিবাদ সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবর্তকের আয়োজনে রবীন্দ্র নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত চিকিৎসাসেবা শিকেয় তুলে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা ও আনন্দ ভ্রমণ: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে

এলাকায় না থেকেও মাদক মামলার আসামি সাকিব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩ ২১১৬ বার পড়া হয়েছে

এলাকায় না থেকেও মাদক মামলার আসামি সাকিব

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যক্তিগত আক্রোশে এক যুবককে মাদক মালায় ফাসানোর অভিযোগ উঠেছে। হবিগঞ্জের মাদবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম ফুয়াদ হাসান সাকিব (২৬), তিনি ওই গ্রামের হাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি তার নিজস্ব খামারের একজন মৎস চাষী। এঘটনায় বিজিবির দায়ের করা মাদক মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ০৫ মে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪০ কেজি গাজা উদ্ধার করে বিজিবি। এসময় বিজিবির ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এই ঘটনায় বিজিবির সোর্স রুবেল, মাদক সম্রাট জুয়েল ও জামালের ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে সাকিবকে এক নম্বর আসামী করে একটি মাদক ও বিজিবিকে এসল্ট মামলা দায়ের করে বিজিবি। অথচ এই ঘটনার সময় সাকিব তার পরিবার নিয়ে সিলেটের জাফলং বেড়াতে গিয়েছিলেন। গত ১ মে থেক ৬ মে তিনি সিলেটের পানশী হোটেলে অবস্থান করছিলেন বলে দাবী সাকিবের।

পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে “সিএনএন বাংলা” নামক কথিত একটি অনলাইন টিভি সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এঘটনায় সোর্স ও কথিত ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৯ মে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশের আইজিপি বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সাকিবের অভিযোগটি আমলে নিয়ে হবিগঞ্জের আতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরী বিষয়টি তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে। এদিকে অসৎ উদ্যেশে ওই অনলাইন টিভিতে সাকিবের ছুড়ি হাতে একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে যেটি সাকিবের টিকটক ভিডিও থেকে নেওয়া। ওই ছুড়িটি নকল বলে জানান সাকিব। সাকিবের বিরুদ্ধে আগের কোন মাদক মামলা নেই।

তবে ৫ মে’র ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাকিবের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির সমুক্ষিন হচ্ছেন বলে জানান সাকিব। তিনি আরো জানান, গত কয়েক বছর আগে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তিনি পুলিশের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন, এর ফলে তাদের অনেক ক্ষতি হয়। পরে ওই মাদক চক্রটি তার পিছে লেগে যায়। ওই ঘটনার পর থেকেই সাকিবকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মধ্যে ফাঁসানোর চেষ্টা করে আসছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এবিষয়ে মাধবপুরের ধর্মঘর কোম্পানি সদরের হাবিলদার ও মামলার বাদী মোশারফ হোসেন সাংবাদিকের কাছে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে বিজিবির হরষপুর ক্যাম্প কমান্ডার দরুল হুদা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন অভিযুক্ত সাকিব স্ব-পরিবারে সিলেট ছিলেন। এই তথ্যটি পুলিশ বিজিবি সহ এলাকার সাধারণ মানুষ জানেন। আমি ছুটিতে ছিলাম, আমার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অন্য ক্যাম্পের লোক এসে ঘটনাটা ঘটিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এলাকায় না থেকেও মাদক মামলার আসামি সাকিব

আপডেট সময় : ০১:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

ব্যক্তিগত আক্রোশে এক যুবককে মাদক মালায় ফাসানোর অভিযোগ উঠেছে। হবিগঞ্জের মাদবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম ফুয়াদ হাসান সাকিব (২৬), তিনি ওই গ্রামের হাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি তার নিজস্ব খামারের একজন মৎস চাষী। এঘটনায় বিজিবির দায়ের করা মাদক মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ০৫ মে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪০ কেজি গাজা উদ্ধার করে বিজিবি। এসময় বিজিবির ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এই ঘটনায় বিজিবির সোর্স রুবেল, মাদক সম্রাট জুয়েল ও জামালের ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে সাকিবকে এক নম্বর আসামী করে একটি মাদক ও বিজিবিকে এসল্ট মামলা দায়ের করে বিজিবি। অথচ এই ঘটনার সময় সাকিব তার পরিবার নিয়ে সিলেটের জাফলং বেড়াতে গিয়েছিলেন। গত ১ মে থেক ৬ মে তিনি সিলেটের পানশী হোটেলে অবস্থান করছিলেন বলে দাবী সাকিবের।

পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে “সিএনএন বাংলা” নামক কথিত একটি অনলাইন টিভি সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এঘটনায় সোর্স ও কথিত ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৯ মে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশের আইজিপি বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সাকিবের অভিযোগটি আমলে নিয়ে হবিগঞ্জের আতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরী বিষয়টি তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে। এদিকে অসৎ উদ্যেশে ওই অনলাইন টিভিতে সাকিবের ছুড়ি হাতে একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে যেটি সাকিবের টিকটক ভিডিও থেকে নেওয়া। ওই ছুড়িটি নকল বলে জানান সাকিব। সাকিবের বিরুদ্ধে আগের কোন মাদক মামলা নেই।

তবে ৫ মে’র ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাকিবের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির সমুক্ষিন হচ্ছেন বলে জানান সাকিব। তিনি আরো জানান, গত কয়েক বছর আগে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তিনি পুলিশের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন, এর ফলে তাদের অনেক ক্ষতি হয়। পরে ওই মাদক চক্রটি তার পিছে লেগে যায়। ওই ঘটনার পর থেকেই সাকিবকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মধ্যে ফাঁসানোর চেষ্টা করে আসছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এবিষয়ে মাধবপুরের ধর্মঘর কোম্পানি সদরের হাবিলদার ও মামলার বাদী মোশারফ হোসেন সাংবাদিকের কাছে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে বিজিবির হরষপুর ক্যাম্প কমান্ডার দরুল হুদা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন অভিযুক্ত সাকিব স্ব-পরিবারে সিলেট ছিলেন। এই তথ্যটি পুলিশ বিজিবি সহ এলাকার সাধারণ মানুষ জানেন। আমি ছুটিতে ছিলাম, আমার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অন্য ক্যাম্পের লোক এসে ঘটনাটা ঘটিয়েছে।