ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসাসেবা শিকেয় তুলে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা ও আনন্দ ভ্রমণ: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হামলায় সৌদি প্রবাসী নিহতের অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের পতাকা মিছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের শোক সরাইলে ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার বিতর্কিত মামলায় ছাত্র দল নেতা গ্রেফতার; ওসির অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন বিজয়নগরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা মিলন গ্রেপ্তার নারীদের ভূমি অধিকার ও আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

একাত্তরের পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পেরে পঁচাত্তরে নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে-ইকবাল সোবহান চৌধুরী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২ ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ইকবাল সোবাহান চৌধুরী বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের হাতে এত বেশি অস্ত্র ছিলো না। তবে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণের কারণে আমাদের বুকভরা সাহস ছিলো। যে কারণে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তি সেই গ্লানি ভুলতে না পেরে পঁচাত্তরে সেই নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। খুনীচক্র শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেনি। আদর্শিকভাবে পাকিস্তানী ভাবধারায় রাষ্ট্র পরিচালনা করা ও একাত্তরের লজ্জা ঢাকতে দেশী-বিদেশী অপশক্তির সাথে মিশে নৃশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছিলো। জাতির জনকের শাহাদাৎবার্ষিকি ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের ওই আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে বিজয়ী হওয়া যাবে না। হয়তো কিছু সময়ের জন্য সন্ত্রাসী কাজ চালিয়ে যাওয়া যাবে। তবে আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিতে বিভাজন থাকলে সাপ আবার গর্ত থেকে বেরিয়ে আসবে।’ তিনি আরো বলেন,খন্দকার মুশতাক ও জেনারেল জিয়াউর রহমান,বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত হত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়েছে,তাদের চাকুরী দিয়ে পুরস্কৃত করে এবং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি প্রমাণ করেছে তারা বঙ্গবন্ধুর খুনীদের কতো বড়ো পৃষ্ঠপোষক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তবে তিনি প্রধান আলোচকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বক্তব্য প্রদান না করে শুধু জাতির পিতাসহ শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ও আয়োজকদের ধন্য জানান। সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো.মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংবাদ ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আখতার ইউসুফ শানু, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাবেক সাধারন সম্পাদক আ. ফ. ম কাউছার এমরান,বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য্য। আলোচনা শেষে তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পীরা “আগস্ট শোকের মাস,কাঁদো” শীর্ষক দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এসময় সাংবাদিক ইউনিয়ন সদস্য রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস স্বরচিত কবিতাপাঠ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একাত্তরের পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পেরে পঁচাত্তরে নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে-ইকবাল সোবহান চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ইকবাল সোবাহান চৌধুরী বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের হাতে এত বেশি অস্ত্র ছিলো না। তবে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণের কারণে আমাদের বুকভরা সাহস ছিলো। যে কারণে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তি সেই গ্লানি ভুলতে না পেরে পঁচাত্তরে সেই নির্মম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। খুনীচক্র শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেনি। আদর্শিকভাবে পাকিস্তানী ভাবধারায় রাষ্ট্র পরিচালনা করা ও একাত্তরের লজ্জা ঢাকতে দেশী-বিদেশী অপশক্তির সাথে মিশে নৃশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছিলো। জাতির জনকের শাহাদাৎবার্ষিকি ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের ওই আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে বিজয়ী হওয়া যাবে না। হয়তো কিছু সময়ের জন্য সন্ত্রাসী কাজ চালিয়ে যাওয়া যাবে। তবে আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিতে বিভাজন থাকলে সাপ আবার গর্ত থেকে বেরিয়ে আসবে।’ তিনি আরো বলেন,খন্দকার মুশতাক ও জেনারেল জিয়াউর রহমান,বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত হত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়েছে,তাদের চাকুরী দিয়ে পুরস্কৃত করে এবং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি প্রমাণ করেছে তারা বঙ্গবন্ধুর খুনীদের কতো বড়ো পৃষ্ঠপোষক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তবে তিনি প্রধান আলোচকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বক্তব্য প্রদান না করে শুধু জাতির পিতাসহ শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ও আয়োজকদের ধন্য জানান। সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো.মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংবাদ ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আখতার ইউসুফ শানু, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাবেক সাধারন সম্পাদক আ. ফ. ম কাউছার এমরান,বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য্য। আলোচনা শেষে তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পীরা “আগস্ট শোকের মাস,কাঁদো” শীর্ষক দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এসময় সাংবাদিক ইউনিয়ন সদস্য রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস স্বরচিত কবিতাপাঠ করেন।