ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে বিদায় করেছি: এমপি শ্যামল ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে ‘চ্যানেল’ সিন্ডিকেট: হয়রানিতে সাধারণ গ্রাহক। শিক্ষাসেবার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দু’বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজন হচ্ছে নৌকাবাইচ

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল শিশু নাহিদা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মে ২০২২ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এখনো ঈদের আনন্দ চারিদিকে। শিশু নাহিদা (০৪) ও এই আনন্দের বাহিরে নয়। এরই ধারাবাহিকতায় আনন্দ ভ্রমণ করতে ফুফু মারূফা বেগমের সাথে আনন্দ ভ্রমণে বের হয়েছিল নাহিদা। এক ঘন্টা পরই লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল নাহিদা। নাহিদা সরাইলের কালীকচ্ছ ইউনিয়নের চাকসার গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইলের ধর্মতীর্থ মিনি কক্সবাজার এলাকায় যাত্রীবাহী প্রাইভেটকার (চট্র-মোট্রো-১৩-০৩৬৫) চাপায় প্রাণ হারায় নাহিদা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঈদের দিন গত মঙ্গলবার থেকেই ঈদ আনন্দে মিনি কক্সবাজার খ্যাত ধর্মতীর্থ এলাকায় ছিল মানুষের ঢল। সেখানে মানুষের স্রোত থামেনি এখনো। গতকাল ৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফুফু মারূফা ও চাচাত বোনদের সাথে ধর্মতীর্থ এলাকায় ভ্রমণ করতে বের হয় নাহিদা। অটোরিকশায় করে তারা ৩-৪ জন যাচ্ছে। হঠাৎ তাদের বহনকারী অটোরিকশাটিকে পেছনের দিক থেকে ধাক্কা দেয় দ্রূত গতির যাত্রীবাহী একটি প্রাইভেটকার (এলিয়ন)। রিকশা থেকে নাহিদাসহ সকলেই ছিটকে পড়ে সড়কে। ঘটনার পর দ্রূত গতিতে চলে যায় প্রাইভেটকারটি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাহিদাকে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে জনতা ধাওয়া করে চালক জিশুসহ ঘাতক প্রাইভেটকারটি আটক করেছেন। পুলিশের কাছে লিখিত দিয়ে রাত দেড়টার পর ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফন করেন নিহতের লাশ। নিহত শিশুর স্বজনরা জানায়, নাহিদার বাবা আক্তার ফার্ণিশার্স মিস্ত্রি। তারা দুই বোন। নাহিদাই বড়। গত ৩-৪ মাস আগে স্বামীর সাথে রাগ করে চলে গেছেন নাহিদার মাতা ফাতেমা বেগম। গত ৪ মাস ধরে মায়ের আদর যত্ন থেকে বঞ্চিত শিশু নাহিদার আকস্মিক নির্মম মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না স্বজনরা। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাইভেটকার ও অটোরিকশাটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহত শিশুর দাদা উজ্জল মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল শিশু নাহিদা

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মে ২০২২

এখনো ঈদের আনন্দ চারিদিকে। শিশু নাহিদা (০৪) ও এই আনন্দের বাহিরে নয়। এরই ধারাবাহিকতায় আনন্দ ভ্রমণ করতে ফুফু মারূফা বেগমের সাথে আনন্দ ভ্রমণে বের হয়েছিল নাহিদা। এক ঘন্টা পরই লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল নাহিদা। নাহিদা সরাইলের কালীকচ্ছ ইউনিয়নের চাকসার গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইলের ধর্মতীর্থ মিনি কক্সবাজার এলাকায় যাত্রীবাহী প্রাইভেটকার (চট্র-মোট্রো-১৩-০৩৬৫) চাপায় প্রাণ হারায় নাহিদা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঈদের দিন গত মঙ্গলবার থেকেই ঈদ আনন্দে মিনি কক্সবাজার খ্যাত ধর্মতীর্থ এলাকায় ছিল মানুষের ঢল। সেখানে মানুষের স্রোত থামেনি এখনো। গতকাল ৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফুফু মারূফা ও চাচাত বোনদের সাথে ধর্মতীর্থ এলাকায় ভ্রমণ করতে বের হয় নাহিদা। অটোরিকশায় করে তারা ৩-৪ জন যাচ্ছে। হঠাৎ তাদের বহনকারী অটোরিকশাটিকে পেছনের দিক থেকে ধাক্কা দেয় দ্রূত গতির যাত্রীবাহী একটি প্রাইভেটকার (এলিয়ন)। রিকশা থেকে নাহিদাসহ সকলেই ছিটকে পড়ে সড়কে। ঘটনার পর দ্রূত গতিতে চলে যায় প্রাইভেটকারটি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাহিদাকে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে জনতা ধাওয়া করে চালক জিশুসহ ঘাতক প্রাইভেটকারটি আটক করেছেন। পুলিশের কাছে লিখিত দিয়ে রাত দেড়টার পর ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফন করেন নিহতের লাশ। নিহত শিশুর স্বজনরা জানায়, নাহিদার বাবা আক্তার ফার্ণিশার্স মিস্ত্রি। তারা দুই বোন। নাহিদাই বড়। গত ৩-৪ মাস আগে স্বামীর সাথে রাগ করে চলে গেছেন নাহিদার মাতা ফাতেমা বেগম। গত ৪ মাস ধরে মায়ের আদর যত্ন থেকে বঞ্চিত শিশু নাহিদার আকস্মিক নির্মম মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না স্বজনরা। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাইভেটকার ও অটোরিকশাটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহত শিশুর দাদা উজ্জল মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

মাহবুব খান বাবুল