ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫জনে।

0
32

সোমবার মধ্যরাত ৩টার দিকে উপজেলার মন্দভাগে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী তুর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম।

পরে হাসপাতালে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে রেলযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কান্তি দাস দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী আন্তঃনগর তুর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুইটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।

জানা গেছে, ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস-২৯৩৪ মন্দভাগ লুপ লাইনে প্রবেশকালে ঢাকা অভিমুখী ৭৪১ তুর্ণা এক্সপ্রেস-২৯২৩ বিপরীত দিক থেকে এসে সংঘর্ষ ঘটায়।

উদয়নের অন্তত ৭টি কোচ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাকসাম থেকে রিলিফ ট্রেন রওনা হয়েছে বলে রেলওয়ে ফ্যানদের ফেসুবক পেজে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনায় হতাহতে সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যেকোনো তথ্য জানতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

সংকেত মানেনি তূর্ণার চালক, তদন্ত কমিটি গঠন

এই ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন। উদ্ধার কাজে দমকল বাহিনীর পাশাপাশি যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের সদস্যরা।

এই দুর্ঘটনার বিষয়ে কসবার মন্দবাগ রেল স্টেশনের মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তুর্ণার চালক তথা লোকো মাস্টারকে ট্রেন থামানোর জন্য আউটার ও হোম দুই স্থানেই লাল বাতি সংকেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত চালক ট্রেন দাঁড় করাননি বলেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তুর্ণা ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করে লাইনে ঢুকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ধাক্কা দিয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। �

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে