ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নন্দনপুরে জমে উঠেছে ধানের চারার হাট।

আশেক মান্নান হিমেলঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নন্দনপুরে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ধানের চারার হাট। বিভিন্ন জাতের ধানের চারা নিয়ে কৃষক ও ব্যাপারীরা হাটে আসছে। উৎপাদন খরচের চেয়ে কমে চারা কিনতে পারায় দূর-দূরান্ত থেকেও  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক  কৃষকরা আসছেন  চারা সংগ্রহ করতে। জেলার চাহিদা মিটিয়েও বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে এসব চারা। বেচা -কেনা সন্তোষজনক হলেও হাটের জন্য নির্দিষ্ট স্থান না থাকায়  ব্যবসায়ী ও কৃষকদের ভোগান্তি বাড়ছে।

প্রতিবছরের মত এবারো নন্দনপুরে জমে উঠেছে ধানের চারার হাট। রোপা-আমন মওসুমকে সামনে রেখে বিভিন্ন বীজতলা থেকে উৎপাদিত চারা হাটে নিয়ে এসেছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। জেলায় ৪৮ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা-আমনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২৮শ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের বীজতলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১শ ৫০ হেক্টর দিয়েই স্থানীয় চাহিদা মিটবে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা চারা উৎপাদন না করে হাট থেকে তাদের কাঙ্খিত চারা সংগ্রহ করছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দু’ধারে গড়ে উঠা এ বাজার থেকে বিভিন্ন স্থানের কৃষকরা বাইশ, খাসা, নাজিরশাইল, বীনা-৭, বীনা-২২ ও গাইন্ধার চারা সংগ্রহ করছে। ব্রাক্ষনবাড়িয়াসহ আশ পাশের জেলা থেকে খুচরা ও পাইকারী ক্রেতারা আসে চারা নিতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার চারা বিক্রি হয় এ বাজারে। তবে ঐতিহ্যবাহী এই বাজারটির জন্য স্থায়ী কোন জায়গা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন।  

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক    আবু নাছের জানিয়েছেন, ঐতিহ্যবাহী এ বাজারটিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার জন্য স্থায়ী চারার বাজারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। 

কৃষকদের স্বার্থে সংশ্লিষ্টরা আন্তরিক হবেন এমন প্রত্যাশা সকলের। 

digital

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Next Post

কবির কলমের সাহিত্য চক্র ও সেরা কবিদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

শনি অক্টো. 5 , 2019
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কবি ও কবিতা বিষয়ক সংগঠন “কবির-কলম” এর সাহিত্য চক্র ও অনলাইন প্রতিযোগীতায় নির্বাচিত মাসিক সেরা কবিদের সম্মাননা গতকাল শুক্রবার […]

শিরোনাম