১৪ মাস পর রোববার (১৬ জানুয়ারি) গৃহকর্মী শিশুটি মায়ের কোলে ফিরে পুলিশকে জানায় ” মায়ের জন্য কান্নাকাটি করলেই জুতাপেটা করতো আমাকে “। শিশুটি পুলিশের সাথে কথা বলতে গিয়ে বার বার কাঁন্নায় ভেঙে পড়ে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো ওই শিশু। শিমরাইলকান্দি এলাকার খাদেম মিয়ার স্ত্রী রফিয়া বাসায় কাজের কথা বলে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাঁচ হাজার টাকা বেতনে তাকে কাজেও দেন তার পরিবার।

১৪ মাসে একবারও মেয়েকে না দেখে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে যান তার মা। কিন্তু মেয়েকে না দেখিয়ে উল্টো তার স্ত্রী পলি বেগম তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন।

ওই শিশুর পরিবার পরে জানতে পারে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিশুটির মা সিরাজুল ইসলামের স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তাকে তিনি ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

পরে নিরূপায় হয়ে গত শুক্রবার ওই শিশুর বাবা-মা থানায় একটি অভিযোগ দেন। পরে সিরাজুল ইসলামের শ্যালিকা হ্যাপি আক্তার ও শ্যালক বিপ্লব থানায় মেয়েটিকে হস্তান্তর করে।

জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের শ্যালিকা হ্যাপি আক্তার পুলিশকে জানান, ঢাকার গোড়ানে আমাদের ভাগনির বাসায় মেয়েটি ছিল। ভাগনি গর্ভবতী হওয়ায় তাকে সহযোগিতার জন্য মেয়েটি সঙ্গে রেখেছিলেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম জানান, শিশুর পরিবারের কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। রোববার তাকে মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগটি আমরা তদন্ত করছি।

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকন্ঞ্জি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here