মঙ্গলবার , ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

হয়রানি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাবেক চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

 হয়রানি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাবেক চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

ডিঃব্রাঃ ডেস্কঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও হয়রানির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে সাবেক চেয়ারম্যান মো: বিল্লাল হোসেন।

আজ রোববার দুপুরে বায়েক ইউনিয়নের কৈখশী এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। গত ২৫ এপ্রিল একটি জাতীয় পত্রিকায় ” ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলপথের জায়গা অধিগ্রহন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে কোটি টাকা বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ” এই নামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ২০১২ সালে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকার মানুষের পাশে থেকে নিঃস্বার্থ ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করেন তিনি। বিগত নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচন করা থেকে বিরত ছিলেন। কিন্তু আগামী ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার ঘোষণা দেয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সরকারি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ দিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেয়ার চেষ্টা তদবির করছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আখাউড়া-কুমিল্লা পর্যন্ত ডাবল লাইন নির্মানের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে জেলা প্রশাসক জমি অধিগ্রহন শুরু করে। বালিয়াহুড়া মৌজার সেঃমেঃ ২০৪ দাগের ২৬০ শতক ভূমি সরকার খাস দখল করে সরকারের নামে লিপিবদ্ধ হয়। সেই ভূমির ৪৫ শতাংশ ৯৯ বছর মেয়াদে সরকার খাস ভূমি বন্দোবস্ত নীতামালা অনুযায়ী ১৯৯২ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক খবির উদ্দিন আমার পিতা মোঃ ফজুলা মিয়ার নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন। যা বিগত ১৯৯৩ সালে ৮০৪ নং দলিল হিসাবে রেজিষ্ট্রি হয় এরপর থেকে আমার পিতা তা ভোগ দখল করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জরিপে সেই ভূমি ২নং দাগে পরিণত হলে ৩নং বি.এস খতিয়ান সৃজন হলে আমার পিতা বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পর সেই জায়গার খতিয়ান সংশোধন সহ আমার পিতা মালিকানা নির্ধারণ হয়।
২০১৮ সালে রেলওয়ের জমি অধিগ্রহনের সময় আমার পিতার জমিও অধিগ্রহনের আওতায় আসে। পরে অধিগ্রহনের নীতামলা অনুযায়ী মাপখোপ করা ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করে রেলওয়ে। পরে তারা সেখানে বালুদিয়ে ভরাট করে নতুন রেল লাইন নির্মাণ করেন।

সম্প্রতি মিথ্যা কাল্পনিক তথ্য সম্বলিত একটি দরখাস্ত জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া হয় এবং যাতে বলা হয় তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা পিতাকে মালিক সৃজন করে রেলওয়ের অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ জানিয়ে তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, আমার জনসমর্থনকে ভয় পেয়েই একটি কুচক্রী মহল হিংসাপরায়ন হয়ে এলাকার সহজ সরল লোকজনদের অর্থের লোভ দেখিয়ে ও রাজনৈতিক হয়রানির হুমকি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দায়ের করছে। যাতে তাদের ঠিকানা দেয়া হচ্ছেনা। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ফেরদৌস ভূইয়া, বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিনসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *