বৃহস্পতিবার , ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সরাইলে পিডিবি’র ১৬ খুঁটি চুরি! জিডির পর ফেরৎ

 সরাইলে পিডিবি’র ১৬ খুঁটি চুরি! জিডির পর ফেরৎ

ডিঃব্রাঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলায় পিডিবি’র ১৬ টি খুঁটি (এলটি পুল) চুরি হয়েছে। গত শনিবার উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ধর্মতীর্থ বধ্যভূতি থেকে চুরি হয় খুঁটি গুলি। এ ঘটনায় সহকারি প্রকৌশলী মো. সুমন হোসেন বাদী হয়ে গত ২১ জুন সোমবার সরাইল থানায় একটি জিডি করেছেন। পরের দিন মঙ্গলবার রাতে কে বা কাহারা চুরি হওয়া খুঁটি গুলি সরাইল বড্ডাপাড়ার গরূর বাজার এলাকায় রেখে যায়। তবে চুরির পর খুঁটি গুলি শাহজাদাপুর গ্রামের প্রবেশদ্বার খোয়ালিয়ার পাড় এলাকায় ছিল বলে জানিয়েছেন পিডিবি কর্তৃপক্ষ।

আর জিডি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বিল্লাল হোসেন বলছেন, আমি এখনো তদন্ত শুরূ করিনি। স্থানীয়রা খুঁটি চুরির ঘটনার সাথে শাহজাদাপুর গ্রামের জনৈক সাবেক ও বর্তমান ইউপি সদস্য জড়িত থাকার কথা বলছেন। সরাইল পিডিবি অফিস ও জিডি সূত্র জানায়, সরাইল পিডিবি’র আওতায় বিদ্যুতের লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলমান আছে।

সেই জন্য উপজেলার বিভিন্ন সুবিধাজনক জায়গায় বিদ্যুতের খুটি (পুল)স্থপ আকারে রাখা হয়েছে। সরাইল-নাসিরনগর সড়কের ধর্মতীর্থ এলাকায়ও খালি জায়গায় (বধ্যভূমি) ২২ টি এলটি খুঁটি রাখা ছিল। প্রত্যেকটি খুঁটির উচ্চতা ৯ মিটার। গত ১৮ জুন শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১৯ জুন শনিবার বিকাল ৫ ঘটিকার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোরেরা সেখান থেকে ১৬টি খুঁটি চুরি করিয়া নিয়ে যায়। খুঁটি গুলির আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার টাকা।

চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সরাইল পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামির আসাব। বিভিন্ন ভাবে খুঁজ-খবর নিয়েও চুর সনাক্ত করতে পারেননি। উদ্ধার করতে পারেননি খুঁটি। পরে গত ২১জুন সোমবার এ বিষয়ে সরাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সহকারি প্রকৌশলী মো. সুমন হোসেন। ডায়েরি করার পরের দিন গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চুরেরা ওই ১৬টি খুঁটি সরাইল-নাসিরনগর সড়কের পাশে বড্ডাপাড়া এলাকায় রেখে যায়।

নাম প্রকাশ না শর্তে শাহজাদাপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি মুঠোফোনে জানান, খুঁটি চুরির সাথে শাহজাদাপুর গ্রামের এক সাবেক ও এক বর্তমান ইউপি সদস্য জড়িত। সেখানকার কিছু গ্রাহকের (ক্রেতার) সাথে তাদেরকে দাম ধর করতে দেখেছি। এ ঘটনার সাথে সরাইলের এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির সমর্থকের জড়িত থাকার বিষয়টিও চাউর হচ্ছে আকাশে বাতাসে। তবে জিডি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি ব্যস্ততার কারণে এখনো কিছু করতে পারিনি। আজ বিকেলে ওই এলাকায় যাব।

সরাইল পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ) মো. সামির আসাব চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চুরির সাথে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। জিডি করার পরের দিনই গোপনে খুঁটি গুলি রেখে গেছে । আমাদের অনুমোদন ও পরিকল্পনা ছাড়া খুঁটি কোন ভাবেই ব্যবহার করতে পারবে না। চুরেরা বোকা। এই খুঁটি গুলি ডাবল পরিবহনে চুরদের কমপক্ষে ৪০-৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

মাহবুব খান বাবুলঃ

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *