সরাইলে গত দুইদিনে কোভিট-১৯ মহামারির প্রতিষেধক টীকা নিয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। আজ সোমবার পর্যন্ত নিবন্ধন করেছে ১০ হাজার ৭০১ জন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষমাত্রা ১৩ হাজার শিক্ষার্থী। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এ লক্ষমাত্রায় পৌঁছতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকর্তা। হাতে আছে মাত্র ৫ দিন। তবে টিকা নিতে গিজাগিজি করে লাইনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। হাসপাতাল ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দফতর সূত্র জানায়, সরকারি সিদ্ধান্তে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সের সকল শিক্ষার্থীকে দেয়া হচ্ছে করোনার প্রতিষেধক টীকা। সরাইলের ২৩ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩ টি কলেজ ও দুটি মাদরাসার মোট ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে টীকা দেওয়া হবে। গত ৯ জানুয়ারি রোববার থেকে সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি এসি (এয়ারকন্ডিশন) কক্ষে শুরূ হয়েছে টীকা প্রদান কার্যক্রম। প্রথম দিন অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কুট্রাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২৫০ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় টীকা। গতকাল ১০ জানুয়ারি সোমবার পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়, শামছুল আলম উচ্চ বিদ্যালয়, চুন্টা এসি একাডেমি ও এম এ বাশার স্কুলের ২ হাজার শিক্ষার্থী গ্রহন করেছে টীকা। প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম। প্রয়োজনে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। তবে এক সাথে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতির কারণে ভেস্তে যাচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। ব্যবহার করছে না মাস্ক। গিজাগিজি করে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ছেলে মেয়েদের। এসি করা একটি কক্ষে এক সাথে টীকা গ্রহন করছে ৪ জন শিক্ষার্থী। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. নোমান মিয়ার নেতৃত্বে টীকা প্রদানে দায়িত্ব পালন করছেন ৩ জন পরিদর্শক, ৮ জন সেবিকা ও ১ জন ব্রাদার। টীকার কার্যক্রম প্রতিদিন সরজমিনে পরিদর্শন করছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর ও নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল হক মৃদুল। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহিদ খালিদ জামিল খান বলেন, অন্নদা স্কুলের কক্ষটিতে দুটি এসি সংযুক্ত করতে সহায়তা করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। কারণ এসি কক্ষ ছাড়া টীকা কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সরাইলে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সের কোন শিক্ষার্থী টীকার বাহিরে থাকবে না।

মাহবুব খান বাবুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here