শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গণগ্রন্থাগারে আলোচনা সভা

0

বঙ্গবন্ধু তাঁর মহান কর্মের মাধ্যমে বাংলার কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আজীবনের জন্য স্থান করে নিয়েছেন।
     —————————–সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স’পতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ৩১ আগস্ট সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার এর হলরুমে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া। জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার এর লাইব্রেরিয়ান মোঃ সাইফুল ইসলাম লিমন এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন আইডিয়েল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কবি ও কথাসাহিত্যিক আমির হোসেন। আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের সভাপতি একেএম বাবুল হক, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন কানু, বিভাগীয় সমন্বয়ক শিব চরণ বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংস্কৃতিকর্মী কবি মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বাঙালি জাতির ইতিহাসের অত্যন্ত কালো একটি অধ্যায়। যারা এই ঘৃণ্য কাজটি করেছে তারা মূলত বঙ্গবন্ধুর চেতনা আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছে। কিন’ বঙ্গবন্ধু তাঁর মহান কর্মের মাধ্যমে বাংলার কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আজীবন এর জন্য স্থান করে নিয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধু একটি সুখী, সমৃদ্ধ, সোনার বাংলা গঠনে করতে চেয়ে ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠন করতে তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সরকারের এই সমস্ত কাজ সফল করতে হলে একটি শিক্ষিত জাতি গঠনের কোন বিকল্প নেই। তিনি শিক্ষিত জাতি গঠন করতে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সাহিত্য সমৃদ্ধ বই পড়তে সকলকে আহ্বান জানান।

এছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আহবান জানান।” অনুষ্ঠানের সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বই ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে তথা উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে প্রচুর বই পড়েছেন এবং অন্যদেরকে বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তিনি গ্রন্থাগারকে খুব ভালোবাসতেন।

তাঁর নিজের একটি সমৃদ্ধ ব্যক্তিগত পাঠাগার ছিল, তাঁর রচিত বইগুলোতে লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।” তাই অনুষ্ঠানের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর সোনা বাংলা বিনির্মানে আলোকিত মানুষ হবার জন্য সকলকে লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়ার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে চিত্রাংকন, রচনা প্রতিযোগিতা ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী ৪৬ জন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার হিসেবে বই ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য অনুষ্ঠানটি সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করা হয়। ……(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে