ভারতে আটকে পড়াদের দেশে আনতে তালিকা করছে উপহাইকমিশন

0

ভারতে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনজনিত কারণে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে আগামী ২০ মে ২০২০ তারিখের মধ্যে
কলকাতা থেকে ঢাকাগামী বিমানের পরবর্তী বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এজন্য আটকে পড়াদের তালিকা করছে
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপহাইকমিশন।

সোমবার (১১মে) কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপহাইকমিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বিমানের ফ্লাইটে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনতিবিলম্বে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের ইমেইল [email protected] – এ নাম, পাসপোর্ট নম্বর,মোবাইল নম্বর, ইমেইল ও ভারত বর্তমান ঠিকানাসহ নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

উপহাইকমিশন আরো জানান, যারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে নাম নিবন্ধন করেছেন তাদের পুনরায় নিবন্ধন করার প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত সংখ্যক নাম নিবন্ধনের পর বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে নামের তালিকা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিকট প্রেরণ করা হবে যা বিমান তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপলোড করবে। সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে বিমানের নির্দিষ্ট নিয়ম মোতাবেক টিকিট সংগ্রহ করবেন। বিমান টিকিট সংগ্রহের পর যাত্রীদের নির্দিষ্ট দিনে এয়ারপোর্টে বহনকারী গাড়ির নম্বর, ড্রাইভারের নাম ও মোবাইল নম্বর এবং যাত্রা শুরুর স্থান (বর্তমান ঠিকানা) উল্লেখ করে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে ইমেইল করতে হবে
([email protected] )।

যাদের ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে বা শিগগিরই শেষ হবে অথবা ভারতে অবস্থানের সময়কাল ৯০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে, তাদেরকে ভারত সরকারের Exit Clearance- এর জন্য Foreign Regional Registration Offices ( FRRO )- এর সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। এবং এর জন্য কোনো রকম জরিমানা প্রদান করতে হবে না । FRRO থেকে কোনো লিখিত জবাব প্রেরণ করা হবে না। শুধুমাত্র আবেদনের কপি সাথে রাখলেই চলবে।

সকল যাত্রীকে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে এবং বাধ্যতামূলকভাবে ২ (দুই) সপ্তাহ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে ‘কোভিভ – ১১ মুক্ত ’ বা ‘কোভিড- ১৯ উপসর্গমুক্ত’ সনদ থাকলে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করা যেতে পারে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে