মঙ্গলবার , ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে সুপার মার্কেট এর জায়গায়; দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনসাধারণ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে সুপার মার্কেট এর জায়গায়; দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনসাধারণ

ডিঃব্রাঃ ডেস্কঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন সুপার মার্কেটের জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফলে দুর্গন্ধে নাক চেপে শহরের কোর্ট রোডে প্রবেশ করতে হচ্ছে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এতে ভোগান্তির শিকার শহরের কোর্ট রোডে কেনাকাটা করতে আসা লোকজনের।

কোর্ট রোডের কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, শহরের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে সুপার মার্কেট ও কোর্ট রোড। দু বছর আগে সুপার মার্কেট ভাঙ্গার পর থেকে শহরের আবর্জনা এনে ফেলা হচ্ছে সুপার মার্কেটের জায়গায় ।

গোকর্ণ রোডে (ছয়বাড়িয়ায়) ময়লা-আবর্জনা রাখার বিশাল জায়গা থাকা সত্যাও আবর্জনা রাখা হচ্ছে সুপার মার্কেটের এই খালি জায়গায় । ফলে নাক চেপে মানুষকে এই রোডে চলাফেরা করতে হচ্ছে । পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনের স্থায়ী দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় পৌরসভার নিয়োগকৃত ছোট ছোট ট্রলিভ্যান দিয়ে শহরের ময়লা-আবর্জনা এনে এইখানে ফালানো হয়। ফলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এলাকায় ।

কোর্ট রোডের ব্যবসায়ী সোহাগ বলেন, ময়লা-আবর্জনার গন্ধে তাঁদের এই এলাকায় ব্যবসা করাই কঠিন হয়ে গেছে। রোজা রেখে অনেক কষ্ট করে নাকে চেপে ধরে সারা দিন ব্যবসা করতে হয়।

ব্যবসায়ী তানভীর বলেন,আবর্জনার দুর্গন্ধে মধ্যে দিয়ে তাঁদের ব্যবসা করতে হচ্ছে। ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া বলেন দীর্ঘদিন যাবত সুপার মার্কেট খোলা জায়গায় আবর্জনা রাখা হচ্ছে ফলে দুর্গন্ধে এই রোডের ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ, সারাদিন দুর্গন্ধের উপরে থেকে ব্যবসা করতে হচ্ছে আমাদের।

হ্রদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোঃ ফাইজুর রহমান (ফায়েজ) বলেন, ময়লা আবর্জনা থেকে এক ধরনের বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। দীর্ঘ সময় এই ধরনের বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে থাকলে খাদ্যে অরুচি, বমি, গলায় ও ফুসফুসে ইনফেকশনের আশঙ্কা থাকে। এছাড়াও এই বিষাক্ত গ্যাস শরীরের অন্যান্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করে। শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব তৈরী করতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় এই ধরনের ক্ষতিকর গ্যাসের থেকে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়।

এ ব্যাপারে পৌরসভার সচিব মোঃ শামসুদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানের ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এই স্থানে অস্থায়ীভাবে ময়লা ফেলা হচ্ছে। পরবর্তীতে এসমস্ত ময়লা অন্য স্থানে স্থানান্তর করা হবে। তিনি পৌর মেয়রের সাথে পরামর্শ করে পৌর এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারণে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *