মঙ্গলবার , ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদ সমাবেশ

ডিঃব্রাঃ ডেস্কঃ
“জাতির পিতার সম্মান রাখবো মোরা অম্লান” প্রতিপাদ্যে কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুর ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আজ শনিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের ফারুকী পার্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খানের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ও দায়রা জজ সফিউল আজম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন একরাম উল্লাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এ.এস.এম শফিকুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পঙ্কজ ভৌমিক, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শিরাজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সালমা আহমেদ, সমাজসেবার উপ-পরিচালক মাসুদুল হাসান তাপস, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আজাদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক পল­ব চক্রবর্তী। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন।

প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা ও দায়রা জজ সফিউল আজম বলেন, আমি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে এসেছি, জেলা জজ হিসেবে নয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর কারনেই আমরা এখন সরকারি চাকরি করছি। এক সরকার আসবে আরেক সরকার যাবে। সরকারের বিষয়ে মতামত থাকতে পারে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে দ্বিমত করার সুযোগ নেই।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও আমাদের জাতির পিতা। এটা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। জাতির পিতাকে যারা কটাক্ষ ও অবমাননা করবে, তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব সংবিধানের বিধানকে মাঠ পর্যায়ে পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানো। আমরা যে যেখানে আছি সংবিধানের কার্যক্রম পালন করব। কারন আমরা সরকারি কোষাগার থেকে বেতন নেই। তাই জাতির পিতার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, যারা দেশ স্বাধীনের জন্য পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছন তাদের অস্বীকার করা ও দুই লাখ মা-বোনকে উপেক্ষা করা।

জাতির পিতার বিরুদ্ধে কথা বলা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে কথা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানেই আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, স্বাধীন দেশে ও আত্ম পরিচয় নিয়ে বিশ্বের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো। এসবই অর্জিত হয়েছে জাতির পিতার কারণে। তাই জাতির জনকের সম্মানকে আমরা অম্লান রাখবো। সমাবেশে সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *