রবিবার , ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে হেফাজতে ইসলাম জড়িত নয়: নায়েবে আমির

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে হেফাজতে ইসলাম জড়িত নয়: নায়েবে আমির

ডিঃব্রাঃ ডেস্কঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কোনো নেতাকর্মী তাণ্ডব চালায়নি বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা সাজিদুর রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যা ঘটেছে তা ন্যাক্কারজনক কাজ বলে মন্তব্য করেন হেফাজতে ইসলাম এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা সাজিদুর রহমান ।

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে আসেন, হেফাজতে ইসলাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার প্রতিনিধি দল। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন ক্লাবে ভাঙচুরের বর্ণনা দেন। এরপর ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি তার ওপর চালানো হামলার বিষয়টি হেফাজত ও মাদরাসা নেতৃবৃন্দের কাছে তুলে ধরেন।

মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, হরতালের দিন আমাদের নেতৃবৃন্দের অবস্থান ছিল শুধু মাদরাসার সামনে। যারা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বের করে শাস্তির দাবি জানানচ্ছি। যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ-ভাঙচুর করে, তারা কোনোদিন হেফাজতের কর্মী হতে পারে না। আমরা সমস্ত ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে যেন হয়রানি করা না হয়, আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে আমরা প্রশাসনের কাছে তার দাবি জানাই।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-মুফতি মোবারক উল্লাহ, আলী আজম, বোরহার উদ্দিন কাসেমী, নোমান হাবিবী, এনামুল হাসান, মো. জাকারিয়া, তানভীর আহমেদ ও এরশাদুল্লাহ কাসেমী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবেও ভাঙচুর এবং ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামির ওপর হামলা চালায়।

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *