শুক্রবার , ৫ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,২০শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বউ ফিরিয়ে দাও, নাহলে ফিরিয়ে দাও ৭টি বছর’

 বউ ফিরিয়ে দাও, নাহলে ফিরিয়ে দাও ৭টি বছর’

ডিঃব্রাঃ ডেস্কঃ
৭ বছর প্রেমের পর রেজিস্ট্রি করে তারা বিয়ে করেছেন। কিন্তু মেয়ের পরিবার এই বিয়ে মেনে নিচ্ছে না। উল্টো মেয়েকে আটকে রেখে দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন যে, স্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করতে পারছেন না প্রেমিক যুবক। অবশেষে তিনি শ্বশুরবাড়ির সামনে ব্যানার নিয়ে অনশনে বসে পড়েছেন! এমন ঘটনা ঘটেছে ওপার বাংলার উত্তর ২৪ পরগনার দেবীনগরে। স্বামীর স্বীকৃতি পেতে প্রতারিত নারীর অনশন করা নৈমত্তিক ঘটনা হলেও বউ ফিরে পেতে এমন অনশনের ঘটনা খুব একটা ঘটে না।

শ্বশুরবাড়ির সামনে অনশনে বসা ওই যুবকের নাম সৌমেন দত্ত। তার বাড়ি অশোকনগরের মানিকতলায়। দেবীনগরের গার্গীর সঙ্গে দীর্ঘ ৭ বছরের সম্পর্ক। শুরু থেকেই এই সম্পর্কে আপত্তি ছিল গার্গীর পরিবারের। সৌমেনের দাবি, বাড়ির অমত থাকায় গার্গী নিজেই রেজিস্ট্রি বিয়ে করতে চান। সেই মতো কয়েক বছর আগে তারা আইনিভাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পরেও তারা কাউকে না জানিয়ে যে যার বাড়িতে থাকছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, সময়মতো সব প্রকাশ করবেন।

সৌমেনের দাবি, রেজিস্ট্রির পর থেকে তিনিই গার্গীর পড়াশোনাসহ যাবতীয় খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু কিছুদিন আগে থেকে তার সঙ্গে আর মেয়েকে দেখা করতে দিচ্ছেন না গার্গীর পরিবারের লোকজন। সাত বছরের সম্পর্ক তো বটেই, তাদের আইনি বিয়েকেও অস্বীকার করছেন তারা। তাই শ্বশুরবাড়ির সামেন অনশনে বসা ছাড়া সৌমেনের আর কোনো উপায় ছিল না। রেজিস্ট্রি বিয়ে যেহেতু হয়েছে, সেহেতু মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক। তাই তাকে সৌমেনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।

অন্যদিকে গার্গীর পরিবার আবার সৌমেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। মেয়েটির মা বলেছে, তাদের মেয়েকে ভুলিয়ে ভালিয়ে রেজিস্ট্রি করেছেন সৌমেন। সৌমেন মাত্র উচ্চমাধ্যমিক পাশ। তেমন আয়-রোজগারও নেই। তাই তারা এই সম্পর্ক মানেন না। গার্গী এখন পড়াশোনা করছে। সে উচ্চশিক্ষিত হয়ে ভালো চাকরি করবে। সৌমেনের সঙ্গে কোনোভাবেই তার জীবন মিলবে না।

শ্বশুরবাড়ি প্রত্যাখ্যান করলেও নাছোড়বান্দা সৌমেনের দাবি, ‘তাহলে আমার জীবনের ৭ বছর ফিরিয়ে দিতে হবে। কোনো নারীর সঙ্গে এমন ঘটলে যেমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমার ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার ন্যায্য বিচার চাই।’

—————————————সূত্র : আনন্দবাজার

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *