শনিবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ এমপি-মন্ত্রীদের

 নির্বাচনী  প্রচারণা নিষিদ্ধ এমপি-মন্ত্রীদের

আচরণবিধি অনুযায়ী ঘরে বা বাইরে যে কোনো স্থানে নির্বাচনী কার্যক্রমে মন্ত্রী-এমপিদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। এছাড়া আচরণবিধিমালা সম্পর্কে যাতে কোনো প্রকার বিভ্রান্তির অবকাশ না থাকে, সেজন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ একটি পরিপত্র জারি করার কথাও বলেছেন তিনি।

সোমবার ‘সিটি নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিভ্রান্তি’ শীর্ষক সিইসির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এসব বিষয় উল্লেখ করেছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারের কাছে গতকাল দুপুরে তিনি এই চিঠি পাঠান। পরে চিঠির বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এই নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সিইসির কাছে পাঠানো ইউও নোটে আচরণবিধিমালা অনুযায়ী মন্ত্রী ও এমপিদের প্রচারের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্পষ্ট করে পরিপত্র জারি করতে অনুরোধ জানান। এতে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে মাহবুব তালুকদার বলেছেন, সিটি নির্বাচনে আচরণবিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন আস্থার সংকটে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

গত ৯ জানুয়ারির ইউও নোটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নতুন ইউও নোটে মাহবুব তালুদকার বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা ও কার্যক্রমে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ নিয়ে আমি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়ে সেই উদ্বেগ বর্তমানে আরও ঘনীভূত হয়েছে। কারণ গত কয়েকদিনে বিধিমালা নিয়ে নানাপ্রকার বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচন সম্পর্কিত যে কোনো কমিটিতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আচরণ বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধান অত্যন্ত সুস্পষ্ট। দুঃখজনক যে বিধিমালা যারা প্রণয়ন করেছেন, তারাই এখন এর বিরোধিতা করছেন।

মাহবুব তালুকদার ইউও নোটে বলেন, আচরণ বিধিমালা সম্পর্কে যাতে কোনো প্রকার বিভ্রান্তির অবকাশ না থাকে, সেজন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ একটি পরিপত্র জারি করা যেতে পারে। নইলে এ সব বিভ্রান্তি সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঢাকা সিটি নির্বাচনে আচরণবিধিমালা কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন আস্থার সংকটে পড়বে, যা কেনোভাবেই কাম্য নয়।

 

এ এ এন

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *