নবীনগরে মসজিদে ডুকেও রক্ষা হয়নি শিশু জিদানের

0



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আধিপত্য বিস্তার করতে তার সাঙ্গপাঙ্গদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ১০ বছরের শিশুও। মঙ্গলবার বিকেলে নিজ এলাকা হাজীর হাটি মুসলিম মেম্বারের বাড়ির আক্কাস আলীর ছেলে জিদান(১০) সহপাঠীদের সাথে খেলাধূলা করছিলেন। এসময় আতর্কিত হামলা করে জিল্লুর রহমানের চেয়ারম্যানের সমর্থক মামুন, সিরাজ, মদন, শাহীন, পারভেজ ও মারুফ। এসময় নিজেকে রক্ষায় জিদান দৌড়ে ডুকে আশ্রয় নেয় মসজিদে। তারা মসজিদে ডুকে জিদানকে বের করে এনে মারধোর করে। পরে দেশীয় অস্ত্র একফলা ডুকিয়ে দেওয়া হয় জিদানের শরীরে। এতে গুরুতর আহত হয় শিশু জিদান।
শুধু জিদানকেই নয় চেয়ারম্যানের সাঙ্গপাঙ্গরা একই দিন সন্ধ্যার আগে হামলা করে উপজেলার থানা কান্দি বাজার থেকে ফেরা পথে গৌরনগরের ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে ইসমাইলকে গুরুতর আহত করে।

জিদান ও ইসমাইলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে তারা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার কৃষ্ণনগর ও বীরগাঁও ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য কিছুদিন পরপর জিল্লুরের সমর্থকরা রাস্তাঘাটে মেরে ফেলার জন্য হুমকি দিয়ে থাকে। ২০১৮ সালের উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গৌরনগরে চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের সমর্থকরা জয়নাল ও দুলাল মিয়াকে কুপিয়ে খুন করে।

এবিষয়ে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, শিশুর উপর আমার সমর্থকরা হামলা করেনি। জোড়া খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে। শুনেছি বিকেলে শিশুর উপর কে বা কারা হামলা করেছে। সন্ধ্যার পর হামলায় আমার ৭জন সমর্থক আহত হয়েছে।

এবিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনোজিৎ রায় জানান, ঘটনাটি আমরা অবহিত নয়। কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে