সোমবার , ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কলেজ পাড়ার খোকার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর মামলা

 কলেজ পাড়ার খোকার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর মামলা

ডিঃব্রাঃ
কলেজ পাড়ার খোকা আবারো আলোচনায়। চাঁদাবাজীর মামলায় জালাল হোসেন খোকা এখন আসামী হয়ে এলাকায় দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। খোকা ও তার সঙ্গীদের হামলায় গুরুতর আহত হওয়া কাজীপাড়ার সৈয়দ বাড়ীর মোঃ এনামুল হোসেন সুমন এখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। জানা যায়, পৌর শহরের কাজীপাড়ার সৈয়দ বাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোঃ এনামুল হোসেন সুমন একজন ঠিকাদার ও ড্রীম ইন্টেরিয়র সলিউশন প্রতিষ্ঠানে সদস্য ও মার্কেটিং এক্সিকিউটিভের দায়িত্ব পালন করছেন।

গত ১৫/১৬ দিন যাবত শহরের কলেজ পাড়াস্থ খান টাওয়ার সংলগ্ন প্রবাসী সুমনের বাসায় ইন্টরিয়র ডিজাইন এর কাজ করাকালে গত ২ আগষ্ট দুপুর অনুমান পৌনে ২টায় সুমনের বাসা থেকে মোঃ এনামুল হক সুমন নিচে নামার পর জালাল হোসেন খোকা ও তাঁর সঙ্গীয় লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে গতিরোধ করে দাড়ায় এবং নগদ ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দিলে এখানে কাজ করা যাবে না বলে হুমকী দেয়।

মোঃ এনামুল হোসেন সুমন চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করে। মোঃ এনামুল হক সুমন চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুঠিয়ে পড়ে। এসময় হামলাকারীরা বীরদর্পে এলাকা ত্যাগ করে। মুর্হুতের মধ্যে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত মোঃ এনামুল হক সুমনকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। মাথায় আঘাতের কারনে বমি করতে থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় প্রেরন করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে যে, আসামীগন কলেজ পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজী করে আসছে। কলেজ পাড়া এলাকায় কোন বিদেশী লোক নতুন বাড়ী তৈরী করলে ও কোন ঠিকাদার কাজ করলে চিহিৃত এসব চাদঁবাজগং চাঁদা আদায় করে থাকে। লোক লজ্জা ও প্রাণের ভয়ে কেহ মুখ খোলে কিছু বলতে নারাজ। দীর্ঘদিন যাবত চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম এলাকায় চলে আসছে বলে মানুষের মুখে আলোচনা রয়েছে। আরো উল্লেখ থাকে যে, বিগত দিনে এই এলাকায় দিদার বাহিনীর অত্যাচারে লোকজন অতিষ্ট হয়ে উঠে ছিল।

অবশেষে দিদার ও তার বাহিনীর পতন হয়। সময়ের পরিক্রমায় নতুন বাহিনী ধীরে ধীরে মাথা চাড়া দিয়ে উঠে বলে আলোচনা রয়েছে। সর্ব শেষ গত ২ আগষ্ট ঘটনা ঘটনার মধ্য দিয়ে নতুন বাহিনীর কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনার জন্ম দেয়। দ্রুত চাঁদাবাজা ও তার বাহিনীদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এঅবস্থায় হামলাকারী ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের হুমকীর মুখে গুরুতর আহত এনামুল হক সুমন ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *