উহানের সেই মার্কেট ফের খুলেছে বন্য প্রাণীর বাজার,

0

উহানে ফের বন্য প্রাণীদের বাজার খুলেছে বলে দাবি উঠেছে। এই বাজারে জীবিত প্রাণী বিক্রি হওয়া দোকানগুলি আবার খুলতে শুরু করেছে। তবে জানা গিয়েছে এই দোকানগুলি খুলছে বাজার থেকে কিছুটা দূরে। যে বাজার থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছিল, সেই বাজারের নাম হুয়ানান সিফুড হোলসেল মার্কেট।

করোনার ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এই হুয়ানান সিফুড হোলসেল মার্কেট থেকে প্রথম জানা গিয়েছিল। ১ জানুয়ারি থেকে এই বাজার বন্ধ হয়ে যায়। এই বাজারে এমন সব প্রাণীর মাংস পাওয়া যেত যা কিনা মানুষ খায় বা খেতে পারে। উহানের পশুর বাজারে প্রায় ১১২ প্রজাতির মাংস বিক্রি হত। এছাড়া মৃত প্রাণী আলাদাভাবে বিক্রি করা হত।

চিন সরকার বাজারটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি। এখন হুয়ানান সিফুড হোলসেল মার্কেট উত্তর হানকো সীফুড মার্কেটের সঙ্গে বসছে বলে জানা গিয়েছে। এখানে জীবিত নানান সামুদ্রিক মাছও বিক্রি হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন জায়গায় বাজার বসানো বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, তাঁদের আশা কয়েকদিন পরেই তারা বাজারটি পুরনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন।

হুয়ানান সীফুড মার্কেটে দোকান বসানো এক মহিলা বলেছেন, করোনার ভাইরাসের কারণে বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের প্রতিদিনের রুটি কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

আগে এই বাজারে মোরগ, শূকর, মহিষ, শিয়াল, কোয়ালা, কুকুর, ময়ূর, ভেড়া, হাঁস, খরগোশ, উটপাখি, ইঁদুর, হরিণ, সাপ, ক্যাঙ্গারু, কুমির, বিছে, কচ্ছপ, উট, কুমির, গাধা , ব্যাঙ ছাড়াও নানান পোকামাকড়ের মাংস বিক্রি হত।

এই বাজারটি এত ভিড় এবং নোংরা ছিল যে এখানে হাঁটা চলা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছিল। এই বাজারটি এখন করোনার ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার পরে বন্ধ রয়েছে। এর আগে মানুষ সারা পৃথিবী থেকে এখানে মাংস কিনতে আসত।

এই বাজারে কেজিতে মিলত ব্যাং। সাপকে রাখা হত মাছের সঙ্গেই। আবার আলাদা করেও বিক্রি হত। চাইনিজ লোকেরা তাদের প্রয়োজন মতো এখান থেকে মাংস সংগ্রহ করতে পারত।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে