আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে ‘আমাদের দেখা হোক জিতে ফিরে এসে’

0

আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে
আমাদের দেখা হোক জিতে ফিরে এসে’

করোনা ভাইরাসের জন্য সারা দেশে আনন্দ, উল্লাস ও উৎসবকে ঘিরে আছে একটি বিষন্নতার চাদর। ছন্দপতন ঘটেছে স্বাভাবিক জীবন-যাপনেও। সবার মত সাংস্কৃতিক কর্মীদের অবস্থা শোচনীয় বললেই চলে। তারই মধ্যে আনন্দলোক সাংস্কৃতিক সংস্থার একটি অভিনব প্রয়াস অন্তর্জালে ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে একটি অসাধারন মিলন উৎসব।

২০০৭ সালে আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করেন আসিফ ইকবাল খান এবং তারপর থেকেই এই সংস্থার উদ্যোগে বছরব্যাপী নানারকম সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। কিন্তু এই বছর করোনা কালীন পরিস্থিতিতে শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্যম এবং উৎসাহ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আনন্দলোক সাধারণ সম্পাদক বাঁধন পালের উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আনন্দলোকের এই অভিনব লাইভ অনুষ্ঠানের আয়োজন।

এরইমধ্যে এপার বাংলা থেকে পারফর্ম করেছেন আসিফ ইকবাল খান (সংগীতশিল্পী সভাপতি, আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র), সোহেল মিয়া (সহ সভাপতি), আব্দুল মতিন শিপন (সঞ্চালক, সহ সভাপতি) নুশিন আদিবা (সংগীত শিল্পী সেরা কণ্ঠ টপ ফাইনালিস্ট), শান্তা পাল, (সংগীতশিল্পী, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন), টুম্পা দত্ত (সংগীতশিল্পী, বাংলাদেশ বেতার) সাবীত রাকিন আহমেদ (সংগীতশিল্পী) মুহাম্মদ রিফাত হোসাইন (সংগীতশিল্পী) রানা (সংগীতশিল্পী), জুনায়েদ আহমেদ খান (নৃত্যশিল্পী, আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র), অন্বেষা সরকার তাথৈ(নৃত্য শিল্পী), অন্তরা রায় (শিক্ষার্থী আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র), নীলয় রায় (সংগীত শিল্পী শিক্ষার্থী আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র)।

ওপার বাংলার ডা.বহ্নিশিখার ভট্টাচার্য, (সংগীতশিল্পী),সুস্মিতা দত্ত(সংগীতশিল্পী),ঋষিতা বনিক (ক্ষুদে সংগীতশিল্পী) অনূষা চক্রবর্তী, (নৃত্যশিল্পী), বিপাশা ঘোষ, (নৃত্যশিল্পী), শ্রীশা চক্রবর্তী, (নৃত্যশিল্পী), সাগরিকা পাল (আবৃত্তি শিল্পী) অর্পন ঘোষাল (আবৃত্তি শিল্পী)। আনন্দলোকে ডাকে সাড়া দিয়ে ঈদ স্পেশাল থাকছেন ভারতের প্রসিদ্ধ নৃত্যগুরু এবং নৃত্যশিল্পী শ্রীমতি শুজাতা রামালিঙ্গম।

আরো থাকছেন প্রেরণা সিনহা (নৃত্যশিল্পী ডান্স বাংলা ডান্স, ভারত) মৌমিতা ব্যানার্জী (সংগীত শিল্পী,কলকাতা।) দ্বীপ বিশ্বাস বাপ্পী, (সংগীতশিল্পী বাংলাদেশ) দেবাশীষ দেবু (সংগীত শিল্পী ক্লোজআপ ওয়ান) আর অনেক গুনী শিল্পীবৃন্দ। খুব শীঘ্রই আয়োজন করা হবে বিভিন্ন অনলাইন প্রতিযোগিতার। শিল্পীদের জন্য শিল্পকর্ম মঞ্চস্থ করার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে আনন্দলোক। কয়েক মাসে ওলট-পালট হয়ে যাওয়া জীবনে বেঁচে থাকার সৃজনশীল রসদ পেতে চোঁখ রাখুন আনন্দলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ফেসবুক পেজে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে